অনলাইন ডেস্ক ৩১ মার্চ ২০২৪ , ২:৫১:০৩
পহেলা বৈশাখ থেকে জাতভিত্তিক চালের দাম ও মৌসুমভিত্তিক উৎপাদন খরচ নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
রোববার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ বিষয়ক টাস্কফোর্স সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে সরু চাল, চিকন চাল, মোটা চাল–এসব থেকে বের হয়ে এসে জাতভিত্তিক চালের দাম এবং মৌসুমভিত্তিক উৎপাদন খরচ নির্ধারণের জন্য মিলার, পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ে একটা রূপরেখা তৈরি হয়েছে। খাদ্য, কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বৈঠক করে এটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। পহেলা বৈশাখ থেকে সেটা কার্যকর হবে।
সবার সহযোগিতায় বাজারের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ঈদুল আজহা পর্যন্ত এটা অব্যাহত থাকবে। কিছু প্রতিকূলতা আমাদের আছে, যেটা সম্পর্কে সবাই অবহিত আছেন। পরিবহন একটা বড় চ্যালেঞ্জ, এটি নিয়ে কাজ চলছে। বিভিন্ন সংস্থা এটি নিয়ে সক্রিয় আছে। আগামী বাজেটের আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পারি, সেটা নিয়ে একটি পরিকল্পনা করা হবে।
কোরবানির ঈদ পর্যন্ত ভোজ্যতেলের সরবরাহ যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে জানিয়ে আহসানুল ইসলাম বলেন, চিনি নিয়েও কোনো সমস্য নেই। মিল মালিকরা এ নিয়ে সরকারকে আশ্বস্ত করেছেন। বাজার পর্যায়ে কৃষিপণ্যের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে চলে এসেছে।
চিনি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চিনি বাজারে যথেষ্ট আছে। উৎপাদকরা মনে করছেন না যে এই মুহূর্তে চিনি আনতে হবে। যে কারণে চিনি আমদানিতে আমাদের আগ্রহ নেই।
বাজার নিয়ন্ত্রণে নিজের সফলতা তুলে ধরতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম গত এক বছরে ২৫ শতাংশ বাড়লেও স্থানীয় বাজারে চার শতাংশের বেশি বাড়েনি। সেই সঙ্গে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পামঅয়েলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
তবে আমদানিকারক ও মিল মালিকদের সহযোগিতায় মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পরও বাজার স্থিতিশীল আছে বলে জানান আহসানুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৬৩ টাকায় এক লিটার ও ১৪৯ টাকায় খোলা বাজারের তেল বিক্রি হচ্ছে। সব জিনিসের দাম কমে গেছে।