অনলাইন ডেস্ক ২৯ মার্চ ২০২৪ , ১১:০২:৪২
রাজধানীর বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী আলুর দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) কেরানীগঞ্জের জিনজিরা, কালীগঞ্জ আগানগর ও রাজধানীর কারওয়ানবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে গত বছরের শেষ দিকে নতুন আলু বাজারে আসলেও চড়া হয় বাজার। সে সময় বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আলু আমদানি করতে বাধ্য হয় সরকার। এতে কিছুটা নাগালে আসে দাম।
তবে চলতি সপ্তাহে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে আলুর বাজার। কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছিল ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছিল ৩০-৩২ টাকায়।
ক্রেতারা বলছেন, সিন্ডিকেট করে আবারও আলুর বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তবে সরকারি নজরদারি বাড়ালে দাম কমতে পারে।
নয়ন হোসাইন নামে এক ক্রেতা বলেন, সরকার পদক্ষেপ নিলে দাম কমবে। না হলে এক সময়ের সস্তা এ সবজিটিও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। প্রয়োজনে দাম নিয়ন্ত্রণে আলু আমদানি করতে হবে।
তবে বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় এবং আড়ত থেকে বাড়তি দামে আলু কেনায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়ছে। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।
আর আড়তদাররা বলছে, কোল্ড স্টোরেজগুলো এবার বাড়তি দামে আলু সংগ্রহ করেছে। সেই বাড়তি দামের প্রভাব পড়ছে বাজারেও। সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, উৎপাদন কম হওয়ায় এ বছর ৫০ টাকার বেশি দাম দিয়ে ভোক্তাদের আলু কিনে খেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর কোল্ড স্টোরেজে যেসব আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল সেগুলো ৮ থেকে ১২ টাকা কেজি দরের আলু ছিল। এবার যেগুলো রাখা হচ্ছে সেগুলো ২৫ থেকে ৩০ টাকায় কেনা। কৃষকরা এবার এই দামে আলু বিক্রি করেছেন। কয়েকগুণ বেশি দাম দিয়ে কেনা এসব আলু যখন বাজারে আসবে তখন এর দামও বেশি হবে।’